ইনটারেক্টিভ রিকমেন্ডেশন হাব

আপনার আজকের পড়া খুঁজে নিন

রহস্য বই টেস্ট কিংবা ক্যাটাগরি গেম জেনারেটর — আপনার পছন্দ অনুযায়ী মুহূর্তেই বই উন্মোচন করুন।

সারপ্রাইজ বুক ম্যাচ

অজানা বইয়ের সাথে গোপন ডেট!

বইয়ের নাম না জেনে শুধু সংক্ষিপ্ত সারাংশ পড়ে আপনার পছন্দের গল্প নির্বাচন করুন। রহস্য উন্মোচন করতে বাটন চাপুন।

?
Editor's

"রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) এক বিরলপ্রজ কথাশিল্পীর নাম। সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তাঁর মমতামাখানো জাদুস্পর্শী লেখা নেই। তাঁর ছোটগল্পগুলো অসাধারণ। রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প বলতে আমরা সাধারণভাবে তাঁর 'গল্পগুচ্ছ' সংকলনের গল্পগুলোর কথাই বুঝি। বাংলা সাহিত্যের ছোটগল্পের বইগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। তাঁর 'গল্পগুচ্ছ' যেন মহাসমুদ্র, যেখানে নানা রকম মণি-মুক্তার সন্ধান মেলে। ১৯০৮-১৯০৯ সালে ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ৫ খণ্ডে এ গল্পগুলো প্রকাশ করে। তবে ১৩০৭বঙ্গাব্দে মজুমদার লাইব্রেরি প্রকাশিত সংস্করণকেই প্রথম সংস্করণ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ সংকলনের প্রায় বেশির ভাগ গল্পের ওপর বিভিন্ন সময় নাটক নির্মাণ হয়েছে। সংকলনের গল্পগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হয়। তাঁর প্রথম ছোটগল্প 'ভিখারিণী' ভারতী পত্রিকায় ১৮৭৪ সালে প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে ১৮৮৪-৮৫ সালে 'ঘাটের কথা', 'রাজপথের কথা' ও 'মুকুট' প্রকাশ হলেও তাঁর প্রথম সার্থক ছোটগল্প 'দেনা-পাওনা'। গল্পটি হিতবাদী পত্রিকায় প্রকাশ হয়। এ সংকলনের পোস্টমাস্টার, ছুটি, অতিথি, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন, ব্যবধান, হৈমন্তী, নষ্টনীড়, মাল্যদান, প্রায়শ্চিত্ত, গুপ্তধন, অনধিকার প্রবেশ, মানভঞ্জন, ভিখারিণী, শাস্তি, ফেল, কাবুলিওয়ালা, বলাই ইত্যাদি গল্পের আবেদন অমলিন।"

মোট 50টি অধ্যায়

গেম রিকমেন্ডার

বিষয়ভিত্তিক র্যান্ডম বুক জেনারেটর

আপনার পছন্দের ক্যাটাগরি বেছে নিন এবং নতুন নতুন বই জেনারেট করে দেখুন। পছন্দ না হলে বাটন চেপে পরের প্রস্তাবনায় চলে যান!

শাহজাদা দারাশুকো
21 অধ্যায়
উপন্যাস
21টি অধ্যায়

শাহজাদা দারাশুকো

লেখক: কালিকারঞ্জন কানুনগো

""শাহজাদা দারাশুকো ২" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: হিন্দুস্থানের বাদশা শাহজাহান তার বড়ছেলে শাহজাদা দারাশুকোকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসতেন। কয়েকবার তিনি বলেছেন, আল্লাতালার অসীম করুণা—তাই এমন ছেলে আমি পেয়েছি। সেই ছেলে দারাশুকো সব ধর্মের ভেতর দিয়ে মানুষের ধর্ম খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। বাদশার সেজো ছেলে শাহজাদা আওরঙ্গজেব তার আব্বা হুজুরের স্নেহ ভালবাসা তাে তেমন পানই নি বরং প্রাণপণ লড়াই করেও বাদশার কাছ থেকে পেলেন কঠিন বাক্যবাণ, বদলির হুকুম, অপমান। আর লড়াই না করেও দারা পেলেন বিজয়ীর সংবর্ধনা। কট্টর মােল্লারা হিন্দুস্থানের পহেলা শাহজাদা দারাশুকোর মতিগতি বুঝতে না পেরে আঁতকে উঠলেন। ভাবলেন, দারার হাতে ইসলাম বিপন্ন। এমন শাহজাদা যদি হিন্দুস্থানের বাদশা হন তাে ঘাের বিপদ। মুঘল শাহী তাে যাবেই—ইসলামও হিন্দুস্থানে তলিয়ে যাবে । তাই মােল্লারা এসে দাড়ালেন আওরঙ্গজেবের পাশে। হিন্দুস্থানের মসনদকে ঘিরে ক্ষমতা, ধর্ম, ভালবাসা, ঈর্ষার এক গােল্লাছুট খেলা শুরু হয়ে গেল। খেলা ভাঙলে দেখা গেল মানুষের ধর্ম খুঁজতে গিয়ে শাহজাদা দারা তার মাথাটি হারিয়েছেন। হিন্দুস্থানে মুক্তদৃষ্টি, মুক্তবােধর স্বচ্ছন্দ চলাচল বন্ধ হয়ে গেল। বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাসের সংজ্ঞা পাল্টে দেওয়ার জন্যে এ লেখাটি অত্যন্ত জরুরী ছিল।"